আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। বার্ষিক বনভোজনের টাকা দিতে না পারায় ১৮ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দিয়েছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার জমিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জমিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ ছাড়পত্র দেন। এর মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছয়, ৭ম শ্রেণির তিন, ৮ম শ্রেণির পাঁচ ও নবম শ্রেণির চার শিক্ষার্থীকে রয়েছে। এ ঘটনায় পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়।
এসব শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানান, নির্ধারিত চাঁদার টাকা দিতে না পারায় আমাদের সন্তানেরা স্কুলের বনভোজনে অংশ নিতে পারেনি। এজন্য তাদের বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। আমরা প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের উপযুক্ত বিচার ও অপসারণ চাই।
ছাড়পত্র দেয়ার কথা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫০০। বার্ষিক বনভোজনের জন্য ৪০০ টাকা করে চাঁদা ধরা হয়। এতে অংশ নেয় ২৫০ শিক্ষার্থী। অন্যদিকে এলাকার কিছু বখাটে ছেলে পৃথকভাবে একটি বাস ও দুটি মাইক্রো নিয়ে আমাদের সঙ্গে একই স্থানে বনভোজনে যায়। এদের সঙ্গে জমিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থীও ছিল। কিছু বখাটে ছেলে আমাদের স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। বখাটেদের সঙ্গে যাওয়ার অপরাধে তাদের বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেয়া হয়।